উৎসবের আবহ। কানে তালা লাগানো ডিজে-র শব্দ, মঞ্চে আলোর ঝলকানি। তার মধ্যে নাচে মত্ত কয়েক জন। মুহূর্তে তৈরি হয় বিতর্ক। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিয়ো, যা দেখে রেগে আগুন পশুপ্রেমীরা।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি বাছুরকে জোর করে টেনে নিয়ে আসা হয়েছে নাচের মঞ্চে। সে প্রাণপণে পালানোর চেষ্টা করেও রেহাই পায়নি। আতঙ্কিত সেই বাছুরকে বার বার টেনে এনে নাচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তীব্র ক্ষোভে প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকেরা। শোনা গিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের কোনও এলাকায়।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নাচের আসরে উপস্থিত এক ব্যক্তি বাছুরটিকে কখনও কোলে তুলে, কখনও টেনে মঞ্চের মাঝখানে নিয়ে আসছেন। চারপাশে বিকট শব্দ, রঙিন আলোর ঝলকানি এবং মানুষের ভিড়ের মধ্যে আতঙ্কিত প্রাণীটি বারবার সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ছটফট করতে গিয়ে কয়েক বার মাটিতে পড়েও যায়। কিন্তু দমানো যায়নি ওই ব্যক্তিকে। বরং বাছুরটিকে আবার মঞ্চের কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে নাচ করানোর চেষ্টা করেন তিনি।
এমন ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই সরব হয়েছে পশুকল্যাণ সংস্থা ‘স্ট্রিট ডগ্স অফ বম্বে’। ইনস্টাগ্রামে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নিয়ে সংস্থার তরফে পঞ্জাব পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তদন্তের আবেদন জানানো হয়। তাদের বক্তব্য, অবলা প্রাণী কখনও বিনোদনের উপকরণ হতে পারে না। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।
এই ঘটনা নজর এড়ায়নি অভিনেত্রী টিনা দত্তের। সমাজমাধ্যমে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। একই ভাবে সরব গায়িকা জ্যোতির্ময়ী নায়ক, অভিনেত্রী রশ্মি গৌতম-সহ অনেকে। টিনা সমাজমাধ্যমে লেখেন, “জঘন্য ঘটনা, কঠোর পদক্ষেপ করা উচিত।” অভিনেত্রী মনসা বহেল লেখেন, “যদি একটুও লজ্জা থাকে শরীরে, আগামী দিনে এমন কাজ করার আগে চার বার ভাববেন।” গায়িকা জ্যোতির্ময়ী, অভিনেত্রী রশ্মি-সহ একাধিক পরিচিত মুখ দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।
শুধু শাস্তির দাবিই নয়, বাছুরটির শারীরিক অবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বহু নেটাগরিক। এক জন লিখেছেন, “এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং হৃদয়বিদারক। আশা করি বাছুরটি নিরাপদে রয়েছে।” অন্য এক জনের কথায়, “প্রাণীদের এ ভাবে ভয় দেখিয়ে বা কষ্ট দিয়ে বিনোদনের সামগ্রী বানানো কোনও সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।” তবে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিয়োর সত্যতা, ঘটনাস্থল এবং ঘটনার সময় সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি। ফলে ভিডিয়োটি ঠিক কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা সরকারি তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে। তবে, এই ঘটনায় কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না বা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি বাছুরকে জোর করে টেনে নিয়ে আসা হয়েছে নাচের মঞ্চে। সে প্রাণপণে পালানোর চেষ্টা করেও রেহাই পায়নি। আতঙ্কিত সেই বাছুরকে বার বার টেনে এনে নাচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তীব্র ক্ষোভে প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকেরা। শোনা গিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের কোনও এলাকায়।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নাচের আসরে উপস্থিত এক ব্যক্তি বাছুরটিকে কখনও কোলে তুলে, কখনও টেনে মঞ্চের মাঝখানে নিয়ে আসছেন। চারপাশে বিকট শব্দ, রঙিন আলোর ঝলকানি এবং মানুষের ভিড়ের মধ্যে আতঙ্কিত প্রাণীটি বারবার সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ছটফট করতে গিয়ে কয়েক বার মাটিতে পড়েও যায়। কিন্তু দমানো যায়নি ওই ব্যক্তিকে। বরং বাছুরটিকে আবার মঞ্চের কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে নাচ করানোর চেষ্টা করেন তিনি।
এমন ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই সরব হয়েছে পশুকল্যাণ সংস্থা ‘স্ট্রিট ডগ্স অফ বম্বে’। ইনস্টাগ্রামে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নিয়ে সংস্থার তরফে পঞ্জাব পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তদন্তের আবেদন জানানো হয়। তাদের বক্তব্য, অবলা প্রাণী কখনও বিনোদনের উপকরণ হতে পারে না। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।
এই ঘটনা নজর এড়ায়নি অভিনেত্রী টিনা দত্তের। সমাজমাধ্যমে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। একই ভাবে সরব গায়িকা জ্যোতির্ময়ী নায়ক, অভিনেত্রী রশ্মি গৌতম-সহ অনেকে। টিনা সমাজমাধ্যমে লেখেন, “জঘন্য ঘটনা, কঠোর পদক্ষেপ করা উচিত।” অভিনেত্রী মনসা বহেল লেখেন, “যদি একটুও লজ্জা থাকে শরীরে, আগামী দিনে এমন কাজ করার আগে চার বার ভাববেন।” গায়িকা জ্যোতির্ময়ী, অভিনেত্রী রশ্মি-সহ একাধিক পরিচিত মুখ দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।
শুধু শাস্তির দাবিই নয়, বাছুরটির শারীরিক অবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বহু নেটাগরিক। এক জন লিখেছেন, “এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং হৃদয়বিদারক। আশা করি বাছুরটি নিরাপদে রয়েছে।” অন্য এক জনের কথায়, “প্রাণীদের এ ভাবে ভয় দেখিয়ে বা কষ্ট দিয়ে বিনোদনের সামগ্রী বানানো কোনও সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।” তবে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিয়োর সত্যতা, ঘটনাস্থল এবং ঘটনার সময় সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি। ফলে ভিডিয়োটি ঠিক কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা সরকারি তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে। তবে, এই ঘটনায় কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না বা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।
তামান্না হাবিব নিশু